প্রথম দেখায় নাম দিলাম গোলাপি কলমি
দেশের নানান প্রান্তে ঘুরে বহু প্রজাতির কলমি ফুলের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে এবং তার মধ্যে একটি প্রজাতি পেয়েছিলাম যেটি বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রজাতি ছিল। বহুদিন ধরে এক প্রজাতির কলমি লতাকে খুঁজতে ছিলাম
দেশের নানান প্রান্তে ঘুরে বহু প্রজাতির কলমি ফুলের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে এবং তার মধ্যে একটি প্রজাতি পেয়েছিলাম যেটি বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রজাতি ছিল। বহুদিন ধরে এক প্রজাতির কলমি লতাকে খুঁজতে ছিলাম
শালিক, সবার চেনা পাখি। প্রধানত চার প্রজাতির শালিক আমাদের চারপাশে প্রতিদিন ঘুরে বেড়ায়। তারা হলো ভাত শালিক, পাকড়া শালিক, ঝুঁটি শালিক এবং খয়রালেজ কাঠশালিক। শালিকের বিচিত্র রঙ এবং ডাকাডাকি বেশ আকর্ষণীয়
জীবনানন্দ দাশের কবিতা প্রকৃতির গভীরতর ছোঁয়া মিশানো। তিনি পাখিদের কবি। কবি জীবনানন্দকে পাখপাখালি গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর কবিতায় ৭৭ প্রজাতির পাখির নাম পাওয়া যায়, যারা দুই বাংলায় এক বা একাধিক আঞ্চলিক নামে পরিচিত। তাঁর কবিতায় দুই প্রজাতির কাকের কথা ও বর্ণনা পাওয়া যায়। পাতি কাক ও দাঁড়কাক
বাংলাদেশের বন-বাদারে প্রায় ১৭৮ প্রজাতির অর্কিড জন্মে (সূত্র: বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ, খণ্ড-১২)। বাংলাদেশের অর্কিডের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন একটি প্রজাতি ইউলোফিয়া অবটিউজা (Eulophia obtusa)
ফুলের রঙ এবং গাছভরা ফুলের বিন্যাসে ছুঁয়ে গেছে মন। তাদের একটি বনচালতা, সে বনে নিজকে মেলে ধরে হলুদ রঙের ঝর্ণাধারায়। অন্যটি বুনো মান্দার, সে শাখায় শাখায় গাঢ় লাল বর্ণের ফুল নিয়ে জেগে ওঠে বনের মাঝে।