গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ, ইকুয়েডরের প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূমি। এটি ১৩টি প্রধান দ্বীপ এবং অসংখ্য ছোট ছোট দ্বীপের সমষ্টি। এই দ্বীপপুঞ্জকে শুধুমাত্র তার অপরূপ প্রাকৃতিক
পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ শিকারি মেরু ভালুক সবচেয়ে শক্তিশালী স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে একটি। এর বৈজ্ঞানিক নাম `Ursus maritimus', যার অর্থ “সমুদ্রের ভালুক”। বরফে আচ্ছাদিত আর্টিক অঞ্চলে
হট্টিটি, বৈজ্ঞানিক নাম Vanellus indicus, আমাদের দেশের একটি পরিচিত এবং চঞ্চল পাখি। এটি “Red-Wattled Lapwing” নামেও পরিচিত। এর দেহের আকৃতি, স্বতন্ত্র ডানা, এবং বিশেষভাবে চোখে
বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের (১৮৫০-১৯০০) তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে
- ভিডিও
- সকল ভিডিও
- বিজ্ঞান
পৃথিবী বিভিন্ন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিকভাবে বা মানুষের দ্বারা তৈরি হতে পারে। বর্তমানে পর্যায় সারণিতে ১১৮টি মৌল শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯২টি মৌল প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীতে পাওয়া যায়, আর বাকি ২৬টি ল্যাবে তৈরি করা হয়
কনকর্ড বিমান, একটি সময়ে যা আকাশপথের রাজা হিসেবে বিবেচিত হতো, শব্দের গতির চেয়েও দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে ইতিহাসে নিজের নাম লিখে রেখেছে। ১৯৭৬ সালে এর যাত্রা শুরু থেকে ২০০৩ সালে বাণিজ্যিক সেবা বন্ধ হওয়া পর্যন্ত এটি ছিল প্রযুক্তি, বিলাসিতা, এবং গতি-তৃষ্ণার এক অসাধারণ উদাহরণ
মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহাকাশ মিশনগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং গবেষণার উন্নতির পাশাপাশি মহাকাশ অভিযানের খরচও আকাশচুম্বী। এ পর্যন্ত চালানো মিশনগুলোর মধ্যে কিছু মিশন এতটাই ব্যয়বহুল যে তা মানবতার সাহসিকতার এক অনন্য নিদর্শন
জগৎ-ব্রহ্মাণ্ডের রহস্যময় দিকগুলো আমাদের মুগ্ধ করে আসছে যুগ যুগ ধরে। রাতের আকাশে তারা ও গ্রহের ঝলমলে উপস্থিতি আমাদের কৌতূহলকে জাগ্রত করে। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে তারা এবং গ্রহের মধ্যে গভীর পার্থক্য রয়েছে। চলুন, এই পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করি এবং জেনে নিই আমাদের মহাবিশ্বের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের প্রকৃতি
আগুন এমন এক জিনিস যা দেখলে আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই। এর নাচানাচি, উজ্জ্বলতা, শক্তি এবং রহস্যময়তা আমাদের মোহিত করে। কখনও বিপজ্জনক, কখনও প্রশান্তিদায়ক—আগুন আমাদের জন্য এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে আগুন কী? এটি কিভাবে তৈরি হয়? আসুন, আগুনের এই রহস্যময় প্রক্রিয়াকে একটু গভীরভাবে বুঝে দেখি
বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে পৃথিবীর চৌম্বকীয় উত্তর মেরু দ্রুতগতিতে রাশিয়ার সাইবেরিয়ার দিকে সরে যাচ্ছে। ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে (বিজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে এই মেরুর গতি ছিল বছরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার, যা বর্তমানে বেড়ে বছরে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে।
- প্রাণীজগৎ
পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ শিকারি মেরু ভালুক সবচেয়ে শক্তিশালী স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে একটি। এর বৈজ্ঞানিক নাম `Ursus maritimus’, যার অর্থ “সমুদ্রের ভালুক”। বরফে আচ্ছাদিত আর্টিক অঞ্চলে বসবাসকারী মেরু ভালুক অনন্য অভিযোজন ক্ষমতা এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার দক্ষতার জন্য পরিচিত
হট্টিটি, বৈজ্ঞানিক নাম Vanellus indicus, আমাদের দেশের একটি পরিচিত এবং চঞ্চল পাখি। এটি “Red-Wattled Lapwing” নামেও পরিচিত। এর দেহের আকৃতি, স্বতন্ত্র ডানা, এবং বিশেষভাবে চোখে পড়া লাল রঙের উঁচু মাংসল অংশ (wattle) একে অন্যান্য পাখি থেকে আলাদা করে।
বাংলার প্রকৃতিতে ঘুঘু পাখি এক পরিচিত এবং প্রিয় নাম। এর বৈজ্ঞানিক নাম Streptopelia এবং এটি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়। গ্রামবাংলার পরিবেশে ঘুঘু পাখি তার মিষ্টি সুরেলা ডাক এবং অনন্য সৌন্দর্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত
শালিক, সবার চেনা পাখি। প্রধানত চার প্রজাতির শালিক আমাদের চারপাশে প্রতিদিন ঘুরে বেড়ায়। তারা হলো ভাত শালিক, পাকড়া শালিক, ঝুঁটি শালিক এবং খয়রালেজ কাঠশালিক। শালিকের বিচিত্র রঙ এবং ডাকাডাকি বেশ আকর্ষণীয়
জীবনানন্দ দাশের কবিতা প্রকৃতির গভীরতর ছোঁয়া মিশানো। তিনি পাখিদের কবি। কবি জীবনানন্দকে পাখপাখালি গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর কবিতায় ৭৭ প্রজাতির পাখির নাম পাওয়া যায়, যারা দুই বাংলায় এক বা একাধিক আঞ্চলিক নামে পরিচিত। তাঁর কবিতায় দুই প্রজাতির কাকের কথা ও বর্ণনা পাওয়া যায়। পাতি কাক ও দাঁড়কাক
পেঙ্গুইনরা আমাদের কাছে আকর্ষণীয় এবং রহস্যময় প্রাণী হিসেবে পরিচিত। তাদের অদ্ভুত হাঁটার ধরণ এবং পরিবেশের সঙ্গে তাদের অদ্ভুত মিল তাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। একটি সাধারণ প্রশ্ন হল, “পেঙ্গুইনদের কি হাঁটু থাকে?”
- সংস্কৃতি
কোচেল্লা ভ্যালি মিউজিক অ্যান্ড আর্টস ফেস্টিভাল (Coachella Valley Music and Arts Festival), যাকে সাধারণত কোচেল্লা (Coachella) বলা হয়, হল এক বিশাল এবং বহুল প্রতীক্ষিত সঙ্গীত, শিল্প এবং সাংস্কৃতিক উৎসব যা প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ইন্ডিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়
ব্রাজিলের রিও উৎসব, যা বিশ্বব্যাপী “রিও কার্নিভাল” নামে পরিচিত, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং রঙিন উৎসবগুলোর একটি। এই উৎসব শুধু ব্রাজিলের নয়, পুরো বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক
আইরিশদের মিশ্র খেলা (Irish mixed game) এমন একটি খেলা যা আইরিশ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই খেলা তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সমাজের মধ্যে গভীরভাবে সম্পৃক্ত
কাতালান মানবস্তম্ভ, যা “কাস্তেলস” (Castells) নামে পরিচিত, একটি অনন্য সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য যা দীর্ঘদিন ধরে কাতালোনিয়া অঞ্চলের মানুষের গর্ব এবং পরিচিতি হয়ে উঠেছে
নালিয়াগান উৎসব ফিলিপাইনের আগুসান দেল সুর প্রদেশের একটি প্রধান সাংস্কৃতিক উৎসব, যা প্রতি বছর জুন মাসে পালিত হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে প্রদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর সংস্কৃতি উদযাপন করা হয়
বাজাউ জনগোষ্ঠী, যাদের সমুদ্র যাযাবর বা সি জিপসি নামেও ডাকা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক অঞ্চলে বসবাসরত একটি অস্ট্রোনেশীয় জাতিগোষ্ঠী। তারা প্রধানত ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় এলাকায় বসবাস করে।
- ভূগোল
গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ, ইকুয়েডরের প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত এক অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভূমি। এটি ১৩টি প্রধান দ্বীপ এবং অসংখ্য ছোট ছোট দ্বীপের সমষ্টি। এই দ্বীপপুঞ্জকে শুধুমাত্র তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়
ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি। ইতালির নেপলস শহরের কাছে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি এর ধ্বংসাত্মক শক্তি এবং প্রাচীন রোমান শহর পম্পেই ও হারকিউলানিয়াম ধ্বংসের জন্য পরিচিত
সাহারা মরুভূমি, যা বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি হিসেবে পরিচিত, আফ্রিকা মহাদেশের উত্তরে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এর আয়তন প্রায় ৯.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যা পুরো যুক্তরাষ্ট্রের সমান এবং ইউরোপ মহাদেশের প্রায় সমান
বিশ্বের অন্যতম বিস্তৃত এবং রহস্যময় মরুভূমি কালাহারি, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। ৯ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই মরুভূমি বতসোয়ানা, নামিবিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অংশবিশেষ জুড়ে বিস্তৃত। কালাহারি নামটি এসেছে সেচোয়ানা শব্দ “কাগালাগাদি: থেকে, যার অর্থ “মহাতৃষ্ণা”
সমুদ্র ফেনা সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে দেখা যায়। এটি সমুদ্রের পানির উপরের স্তরে তৈরি হওয়া এক ধরনের ফেনিল স্তর। যখন সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত জৈব উপাদান, যেমন শৈবাল বা প্ল্যাঙ্কটনের অবশিষ্টাংশ, বাতাস পানির স্রোতের সঙ্গে মিশ্রিত হয় তখন এটি গঠিত হয়
হিন্দুকুশ পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার সীমানায় অবস্থিত একটি বিশাল পর্বতমালা। এটি আফগানিস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং ভারতের কিছু অংশে বিস্তৃত। হিন্দুকুশ পর্বতমালা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং চ্যালেঞ্জিং পর্বতমালার মধ্যে একটি, যার শিখরগুলো উপরের দিকে অত্যন্ত উঁচু এবং দুর্গম।
- মানবসভ্যতা
পেনান গোত্র (Penan Tribe) মালয়েশিয়ার বর্নিও দ্বীপের অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী এবং সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি আদিবাসী গোত্র। এই গোত্রের পরিচয় মূলত তাদের শিকারী জীবিকা, বনজ সম্পদে নির্ভরশীলতা এবং গভীর ঐতিহ্যগত জীবনধারার জন্য। পেনানরা এখনও আধুনিক সভ্যতা থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন,
ডলগান (Dolgan) জনগণ সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের এক বিশেষ আদিবাসী গোষ্ঠী, যারা মূলত সাইবেরিয়ার আর্কটিক অঞ্চলের তুনগুসকা নদী, ইয়েনিসি নদী এবং সাইবেরিয়ার অন্যান্য শীতল অঞ্চলে বাস করে। তাদের জীবনের মূল উপকরণ হলো পশুপালন, মৎস আহরণ এবং শিকার, যা তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীরে লুকিয়ে রয়েছে
হুলি উইগমেন (Huli Wigmen) পাপুয়া নিউ গিনির একটি ঐতিহ্যবাহী উপজাতি গোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পশ্চিম পাপুয়া নিউ গিনির হুলি জাতির অংশ। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা বিশেষত তাদের উজ্জ্বল এবং রঙিন উইগ (হালকা বা শ্যাম্পু করা পুঁথির মতো মুরগির পালক) দিয়ে পরিচিত, যা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ
উমোজা, একটি ছোট্ট গ্রাম যা পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়ার সাম্বুরু এলাকায় অবস্থিত। এটি কেবল একটি গ্রাম নয়, বরং নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতীক
হুন জাতি (Huns) প্রাচীন ইউরেশীয় স্টেপ অঞ্চলের একটি শক্তিশালী এবং ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্র জনগণ, যারা ষষ্ঠ থেকে পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়া জুড়ে ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিল। তাদের ইতিহাস, আক্রমণ, এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য আধুনিক ইতিহাসবিদদের জন্য একটি আলোচিত বিষয়
বাজাউ জনগোষ্ঠী, যাদের সমুদ্র যাযাবর বা সি জিপসি নামেও ডাকা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক অঞ্চলে বসবাসরত একটি অস্ট্রোনেশীয় জাতিগোষ্ঠী। তারা প্রধানত ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার উপকূলীয় এলাকায় বসবাস করে।
দেশের নানান প্রান্তে ঘুরে বহু প্রজাতির কলমি ফুলের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে এবং তার মধ্যে একটি প্রজাতি পেয়েছিলাম যেটি বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রজাতি ছিল। বহুদিন ধরে এক প্রজাতির কলমি লতাকে খুঁজতে ছিলাম
বাংলাদেশের বন-বাদারে প্রায় ১৭৮ প্রজাতির অর্কিড জন্মে (সূত্র: বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ, খণ্ড-১২)। বাংলাদেশের অর্কিডের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন একটি প্রজাতি ইউলোফিয়া অবটিউজা (Eulophia obtusa)
ফুলের রঙ এবং গাছভরা ফুলের বিন্যাসে ছুঁয়ে গেছে মন। তাদের একটি বনচালতা, সে বনে নিজকে মেলে ধরে হলুদ রঙের ঝর্ণাধারায়। অন্যটি বুনো মান্দার, সে শাখায় শাখায় গাঢ় লাল বর্ণের ফুল নিয়ে জেগে ওঠে বনের মাঝে।
আগুন এমন এক জিনিস যা দেখলে আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই। এর নাচানাচি, উজ্জ্বলতা, শক্তি এবং রহস্যময়তা আমাদের মোহিত করে। কখনও বিপজ্জনক, কখনও প্রশান্তিদায়ক—আগুন আমাদের জন্য এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে আগুন কী? এটি কিভাবে তৈরি হয়? আসুন, আগুনের এই রহস্যময় প্রক্রিয়াকে একটু গভীরভাবে বুঝে দেখি
তপ্ত রোদে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে ভরা একটি সাদা বালুর সৈকতে হাঁটার অনুভূতি অনন্য। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই সুন্দর সাদা বালির পেছনে আছে প্রকৃতির এক অবিশ্বাস্য কারিগরের কাজ— প্যারটফিশ। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। এই বালি মূলত প্যারটফিশের মল থেকে তৈরি
সমুদ্র ফেনা সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলগুলিতে দেখা যায়। এটি সমুদ্রের পানির উপরের স্তরে তৈরি হওয়া এক ধরনের ফেনিল স্তর। যখন সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত জৈব উপাদান, যেমন শৈবাল বা প্ল্যাঙ্কটনের অবশিষ্টাংশ, বাতাস পানির স্রোতের সঙ্গে মিশ্রিত হয় তখন এটি গঠিত হয়
- ঝুঁকি
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকম্প কয়েকদিন পর পর উৎপত্তি হচ্ছে। যেকোনো শক্তিশালী ভূমিকম্প পৃথিবীর জন-মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। তাই ভূমিকম্প হলে আতঙ্কিত না হয়ে সুরক্ষিত জায়গায় আশ্রয় নিতে হবে। জানুন ভূমিকম্পের সময় করণীয় কাজগুলো সম্পর্কে। * ভূমিকম্পের প্রথম ঝাঁকুনির সঙ্গে সঙ্গে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিন। * ঘরে হেলমেট থাকলে মাথায় পরে নিন, অন্যদেরও পরতে বলুন। * ঘর থেকে … Read more
প্রেসার কুকার- যা আজকাল প্রায় প্রতিটি আধুনিক রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয়। বর্তমান সময়ে প্রেসার কুকার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কার্যকর রান্নার যন্ত্র। এটি বিশেষভাবে খাদ্য প্রস্তুত করার সময় দ্রুত গরম করার এবং সেদ্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা রান্নার সময় এবং গ্যাস বা বিদ্যুতের খরচ কমিয়ে আনে
অটোরিকশা একটি তিন চাকার মোটরচালিত বাহন, যা শহর ও গ্রামীণ এলাকায় স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত সিএনজি, পেট্রোল, বা ইলেকট্রিসিটি দ্বারা চালিত হয়
অ্যান্টিবায়োটিক হলো এক ধরনের ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাধা দেয় বা তাদের ধ্বংস করে। এটি মানবদেহ এবং প্রাণিকোষের অভ্যন্তরে জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
গ্যাস সিলিন্ডার আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। এটি রান্না, শিল্প, চিকিৎসা, এবং পরিবহন ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। তবে সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে এটি বিপজ্জনক হতে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে
ঢাকা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র। শিল্পায়ন, যানজট এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে এ শহরের শব্দদূষণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন মানুষের সহনশীল শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেল। অথচ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা ৮৫ থেকে ১০৫ ডেসিবেলের মধ্যে ওঠানামা করে, যা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের (১৮৫০-১৯০০) তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে
ঢাকা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র। শিল্পায়ন, যানজট এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে এ শহরের শব্দদূষণ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন মানুষের সহনশীল শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেল। অথচ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা ৮৫ থেকে ১০৫ ডেসিবেলের মধ্যে ওঠানামা করে, যা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা, যা বিশ্বব্যাপী পরিবেশ, প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনযাত্রার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তন মূলত পৃথিবীর সাধারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি, আবহাওয়া ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হার বৃদ্ধি করে চলেছে। এটি এমন একটি সমস্যা যা শুধু একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমস্ত বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব পড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন কি এবং কেন এটি আমাদের জন্য উদ্বেগজনক, তা বুঝতে হলে প্রথমে এই সমস্যার মূল কারণ এবং প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে।
নাসার মহাকাশযান ‘পার্কার সোলার প্রোব’ সম্প্রতি সূর্যের সর্বাধিক নিকটবর্তী অবস্থানে পৌঁছে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ সময় ২৭ ডিসেম্বর, শুক্রবার, সকাল ১১টায় প্রোবটি সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৮ লাখ মাইল (প্রায় ৬১ লাখ কিলোমিটার) দূরত্বে পৌঁছায়, যা পূর্বে কোনো মানবনির্মিত যন্ত্রের পক্ষে সম্ভব হয়নি
মানবসভ্যতার ইতিহাসে মহাকাশ মিশনগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রযুক্তি, জ্ঞান এবং গবেষণার উন্নতির পাশাপাশি মহাকাশ অভিযানের খরচও আকাশচুম্বী। এ পর্যন্ত চালানো মিশনগুলোর মধ্যে কিছু মিশন এতটাই ব্যয়বহুল যে তা মানবতার সাহসিকতার এক অনন্য নিদর্শন
জগৎ-ব্রহ্মাণ্ডের রহস্যময় দিকগুলো আমাদের মুগ্ধ করে আসছে যুগ যুগ ধরে। রাতের আকাশে তারা ও গ্রহের ঝলমলে উপস্থিতি আমাদের কৌতূহলকে জাগ্রত করে। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে তারা এবং গ্রহের মধ্যে গভীর পার্থক্য রয়েছে। চলুন, এই পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করি এবং জেনে নিই আমাদের মহাবিশ্বের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের প্রকৃতি
নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ক্রিসমাস ইভে ১০-তলা ভবনের সমান আকারের একটি গ্রহাণু, ২০২৪ এক্সএন১, পৃথিবীর কাছ দিয়ে নিরাপদে অতিক্রম করবে। প্রায় ৩৭ মিটার (প্রায় ১২০ ফুট) আকারের এই গ্রহাণুটি ঘণ্টায় প্রায় ২৩,৭২৯ কিলোমিটার (প্রায় ১৪,৭৪৩ মাইল) বেগে চলবে এবং পৃথিবী থেকে প্রায় ৭.২১ মিলিয়ন কিলোমিটার (প্রায় ৪.৪৮ মিলিয়ন মাইল) দূর দিয়ে যাবে
